মুক্তিবাহিনীর মূল শক্তি ছিল বাঙালি সামরিক সদস্য, ইপিআর ও পুলিশ। সঙ্গে যোগ দেয় ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ, যারা ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়ে বা দেশের ভেতরে থেকে লড়াই করেন।
নিয়মিত বাহিনী ও গেরিলা যোদ্ধারা একসঙ্গে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যান।
লেখাটি প্রচলিত ঐতিহাসিক বিবরণ অনুসারে সংক্ষেপে লেখা। কোনো তথ্যে ভুল পেলে “যোগাযোগ” পেজে জানান।

